রাষ্ট্রীয় দফতরে ছবির পরিবর্তে কালিমা: প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদন

তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাষ্ট্রীয় দফতরে ছবির পরিবর্তে কালিমা: প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা: নব-নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে বইছে প্রশংসার জোয়ার। দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বিশেষ নির্দেশনায় তিনি সকল সরকারি দফতর ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তির ছবি সরিয়ে সেখানে পবিত্র ‘কালিমা তায়্যিবা’ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ) স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ এবং বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন।

সিদ্ধান্তের পটভূমি

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তির পূজা বা ব্যক্তিগত প্রদর্শনী নয়, বরং মহান স্রষ্টার একত্ববাদ এবং দেশপ্রেমই হবে আমাদের অনুপ্রেরণা।” এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সচিবালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোর দেয়ালে শোভা পাচ্ছে শৈল্পিক ক্যালিগ্রাফিতে খচিত পবিত্র কালিমা।

সামাজিক মাধ্যমে ও রাজপথে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

এই নির্দেশ জারির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষ উল্লাস প্রকাশ করছেন। ফেসবুক ও এক্স-এ (সাবেক টুইটার) হ্যাশট্যাগ #NewBangladesh এবং #TariqueRahman ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে। ঢাকার বায়তুল মোকাররম এলাকায় এক উৎসুক জনতা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাওহীদের এই বাণী আমাদের দেশের মানুষের ধর্মীয় চেতনার প্রতিফলন।”

চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনাসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে সাধারণ ছাত্র-জনতা মিষ্টি বিতরণ করেছেন। তাদের মতে, এটি কেবল একটি ছবি পরিবর্তন নয়, বরং একটি আদর্শিক পরিবর্তনের সূচনা।

বিশিষ্টজনদের মন্তব্য

দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাগণ এবং বুদ্ধিজীবীরাও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ড. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাষ্ট্রীয় কার্যালয়ে মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা স্থাপন করা একটি বিশাল সাহসিকতার কাজ। এটি প্রমাণ করে যে সরকার জনগণের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।”

অন্যদিকে, অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, জনাব তারেক রহমান এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করলেন, যেখানে ব্যক্তির চেয়ে আদর্শ ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল ছবি অপসারণ নয়, বরং সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কাঠামোতে ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা করছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তার সরকার কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যক্তির তোষামোদে বিশ্বাসী নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবাই হবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

বিগত কয়েক দশকের রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে জনাব তারেক রহমানের এই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক পদক্ষেপ দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ মানুষের ভাষায়, “এটি একটি নতুন দিনের শুরু।”