২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাগুলোর একটি ‘একুশে পদক’ প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও জাতীয় জীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর এই পদক প্রদান করা হয়। এ বছরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক তুলে দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজন
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননাপত্র, স্বর্ণপদক এবং আর্থিক সম্মাননা তুলে দেবেন।
যেসব ক্ষেত্রে পদক
প্রতিবছরের মতো এবারও ভাষা আন্দোলন, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, গবেষণা, সাংবাদিকতা, শিল্পকলা, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মনোনীতদের এই পদক দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই ও সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করেছে।
ভাষা আন্দোলনের চেতনা
একুশে পদক মূলত মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রবর্তিত হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে ভাষা-অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে ধারণ করেই এই পদক প্রদান করা হয়। ফলে এটি কেবল একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা নয়, বরং জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক।
প্রধানমন্ত্রীর বার্তা
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভাষা আন্দোলনের আদর্শ, জাতীয় ঐক্য এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করবেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও গবেষণাক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হতে পারে।
জাতির গর্ব
একুশে পদকপ্রাপ্তরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন। তাদের স্বীকৃতি প্রদান জাতির জন্য গৌরবের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২৬ ফেব্রুয়ারির এই আয়োজন ঘিরে ইতোমধ্যে প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠান দেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
.png)
Social Plugin