ট্রাম্প: “ইরান বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে কি না — আমি কারওর কেয়ার করি না

ট্রাম্প: “ইরান বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে কি না — আমি   কারওর কেয়ার করি না 

যখন ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ (যা আমেরিকা, ক্যানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে)-কে মাত্র কয়েক মাস বাকি, তখন ইরানের অংশ নেওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন যা ফুটবল ও রাজনীতির উভয় ক্ষেত্রেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

 ইরান ইতোমধ্যেই যোগ্যতা অর্জন করেছে

ইরান তার গ্রুপে শীর্ষে থাকা অবস্থায় ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল এবং গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিশর দলের সঙ্গে খেলবে। ম্যাচগুলো হবে প্রধানত মার্কিন মাটিতে — লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে।

 ট্রাম্পের মন্তব্য

ট্রাম্পের বরাতে জানানো হয়েছে:

“I really don’t care … ইরান খুব বাজে পরাজিত দেশ, তারা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।”
— বলেছেন তিনি ইরানের ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সম্পর্কে।

তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তিনি এই বিষয়টি নিয়ে কোনো উদ্বেগ অনুভব করছেন না এবং রাজনৈতিক বা সামরিক উত্তেজনার কারণে ইরান বিশ্বকাপ থেকে বাদ গেলেও তার কাছে সেটা কোনো বড় সমস্যা নয়

 রাজনৈতিক চাপ ও যুদ্ধ-সংকট

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে ইরান গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে অংশগ্রহণ করছে, যেখানে আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথ অভিযানে ইরানের বেশ কিছু শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ইরানের ফুটবল দলকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে — এমন শঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে।

ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের মন্তব্য

ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট মেহদি তাজ বলেছেন, বর্তমান “ঘটনাগুলোর পর বিশ্বকাপকে আশা নিয়ে দেখাটা সম্ভব নয়।” তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনিশ্চিত এবং দেশের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা সবকিছুকে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ফিফার অবস্থান

ফিফা (বিশ্ব ফুটবল সংস্থা) এখনও কিছু নিশ্চিত ঘোষণা করেনি। তারা বারবার বলছে সব দল নিরাপদভাবে অংশগ্রহণ করবে — এমনটাই তাদের লক্ষ্য। তবে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরানের অংশগ্রহণ আজও অনিশ্চিত।(

 ভবিষ্যতের সম্ভাবনা

বিশ্বকাপের মতো বিশাল খেলায় কোনো দল যদি যোগ না দিতে পারে, তাহলে সাধারণত বিকল্প দলকে অংশ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এতে ইরানের জায়গায় অন্য কোনো এশিয়ান দল বা কাছাকাছি সময় যোগ্য কোনো দেশকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে তা ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে।