পাকিস্তানে খামেনি হত্যার প্রতিবাদে মার্কিন দূতাবাসে তীব্র বিক্ষোভ — সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন নিহত

পাকিস্তানে খামেনি হত্যার প্রতিবাদে মার্কিন দূতাবাসে তীব্র বিক্ষোভ — সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন নিহত

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় শহর করাচিতে রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা **আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র হত্যার খবরের প্রতিবাদে উত্তাল বিক্ষোভে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট (দূতাবাস) এলাকায় ব্যাপক সহিংসতা দেখা দিয়েছে। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন নিহত ও বহু আহত হয়েছে বলে হাসপাতাল ও উদ্ধার সংস্থার তথ্য পাওয়া গেছে

পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবাদকারীরা সকালেই কনস্যুলেটের উদ্দেশ্যে হেঁটে আসে এবং ঘন্টাগুলোতে সংখ্যাটা বাড়তে থাকে। কিছু অংশ বিক্ষোভকারী কনস্যুলেটের প্রধান গেট পর্যন্ত পৌঁছে দেয়াল ভাঙতে চেষ্টা চালায় এবং সহিংসভাবে পাথর নিক্ষেপ করে। এতে নিরাপত্তা বাহিনী গ্যাস ও গুলি ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। 

কারাচির এক হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক জানান, সকাল ও দুপুর পর্যন্ত ৮টি দেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং বেশিরভাগের শরীরে বুলেটের ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের জখম নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বলয় বিস্তৃত হয়েছে অন্যান্য শহরেও

করাচির পাশাপাশি পাকিস্তানের অন্য শহরগুলোতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। লাহোর ও স্কার্দুতে জনতা ব্যাপকভাবে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এবং কিছু জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষও হয়। লাহোরের মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে রেঞ্জারস ও পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে, যদিও সেখানে বড় ধরনের নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট

পাকিস্তানে এই সহিংস বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ন ও উত্তেজনাপূর্ণ এক খবরের প্রতিক্রিয়ায় — ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি’র মৃত্যু নিয়ে বিগত কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়েছে। খবরগুলোতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মুসলিম বিশ্বের 

দূতাবাসে নিরাপত্তা এবং প্রতিক্রিয়া

করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এলাকার আশপাশে র‌্যাঞ্জারস ও পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। কনস্যুলেট কর্মীদের জন্য নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়েছে এবং আংশিকভাবে ভবনের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে সবার শান্ত থাকা