শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনী উত্তেজনা, বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনী উত্তেজনা, বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রেজাউল করিম নামে এক জামায়াত নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি ওই এলাকার জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহার বিতরণকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত হন জামায়াত নেতা রেজাউল করিম। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ সীমিত করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কোন্দল, সংঘর্ষ ও সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ে উত্তেজনা কমছে না। সাধারণ জনগণ শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন প্রত্যাশা করছে।

#শেরপুর #ঝিনাইগাতি #নির্বাচনীসহিংসতা #রাজনৈতিকসংঘর্ষ #বাংলাদেশরাজনীতি #নির্বাচন
#BNP #Jamaat #ElectionViolence #BangladeshNews