নতুন দায়িত্ব পেয়েই যা বললেন সারজিস
সম্প্রতি নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বক্তব্যেই আত্মবিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বার্তা দিলেন সারজিস। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বলেন, এই পদ কেবল সম্মানের নয়—এটি বড় ধরনের দায়বদ্ধতারও প্রতীক। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারজিস জানান, “আমার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে, সেটি রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমি চাই কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিতে—কথার মাধ্যমে নয়।” তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ফলাফলভিত্তিক কাজের ওপর গুরুত্ব দিতে চান।
তিনি আরও বলেন, নতুন দায়িত্ব পালনে তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দলীয় মতামত ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন।
সারজিস তাঁর বক্তব্যে তরুণদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। তিনি মনে করেন, দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তনে তরুণ প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি অগ্রাধিকারভিত্তিক কয়েকটি পরিকল্পনার কথা জানান। এর মধ্যে রয়েছে—প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা, এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। তিনি বলেন, “আমরা চাই দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন। মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের প্রথম কাজ।”
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্বের শুরুতেই সারজিসের এমন দৃঢ় অবস্থান ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
নতুন দায়িত্বে সারজিসের এই অঙ্গীকার ও কর্মপরিকল্পনা জনমনে নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতেই বোঝা যাবে, তাঁর কথাগুলো কতটা কার্যকর পদক্ষেপে রূপ নেয়।
.png)
Social Plugin